পণ্যর মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ (Key Features):
-
ধারণক্ষমতা: ১ লিটার (১০০০ মিলি)। যা একটি সাধারণ পরিবারের জন্য যথেষ্ট।
-
অটোমেটিক সিস্টেম: এতে তাপমাত্রা স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিয়ন্ত্রিত হয়, ফলে দই জমানোর জন্য আপনাকে আলাদা করে টেনশন করতে হবে না।
-
সহজ ব্যবহার: শুধুমাত্র দুধ এবং দইয়ের বীজ (বিজান/Sarter) মিশিয়ে সুইচ অন করে দিলেই কাজ শুরু হয়ে যায়।
-
বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী: এটি খুব কম ওয়াটে চলে, তাই বিদ্যুৎ বিল নিয়ে দুশ্চিন্তার কিছু নেই।
-
স্টেইনলেস স্টিল বা ফুড গ্রেড প্লাস্টিক: এর ভেতরের পাত্রটি সাধারণত উচ্চমানের স্টেইনলেস স্টিল বা ফুড-গ্রেড প্লাস্টিকের হয়ে থাকে, যা স্বাস্থ্যের জন্য নিরাপদ।
কিভাবে ব্যবহার করবেন? (How to Use):
১. দুধ প্রস্তুত করুন: প্রথমে দুধ ফুটিয়ে সামান্য ঠান্ডা করে নিন (কুসুম কুসুম গরম বা শরীরের তাপমাত্রার মতো)। ২. বীজ মেশান: ১ লিটার দুধে ২-৩ চামচ পুরোনো দই বা দইয়ের বীজ ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। ৩. মেশিনে দিন: মিশ্রণটি মেশিনের ভেতরের পাত্রে ঢালুন এবং ঢাকনা লাগিয়ে দিন। ৪. সুইচ অন করুন: পাওয়ার প্লাগ সংযোগ দিন। দই জমতে সাধারণত ৬ থেকে ১০ ঘণ্টা সময় লাগে (পরিবেশের তাপমাত্রার ওপর নির্ভর করে)। ৫. সংরক্ষণ: দই জমে গেলে মেশিন বন্ধ করে পাত্রটি বের করে নিন। ভালো ফলাফলের জন্য খাওয়ার আগে ১-২ ঘণ্টা ফ্রিজে রাখুন।
কেন এটি কিনবেন?
-
স্বাস্থ্যকর: বাজারের দইয়ে অনেক সময় প্রিজারভেটিভ বা অতিরিক্ত চিনি থাকে। এটি দিয়ে আপনি একদম ফ্রেশ দই পাবেন।
-
সাশ্রয়ী: গুঁড়ো দুধ বা লিকুইড দুধ দিয়ে ঘরে দই বানানো বাজারের কেনা দইয়ের চেয়ে সাশ্রয়ী।
-
ঝামেলামুক্ত: মাটির হাঁড়িতে বা কম্বল দিয়ে পেঁচিয়ে দই জমানোর দিন শেষ; এই মেশিনে দই নষ্ট হওয়ার ভয় নেই।
প্যাকেজে যা যা থাকছে:
-
১টি ইলেকট্রিক ইয়োগার্ট মেকার।
-
১টি ঢাকনা।
-
১টি ভেতরের পাত্র (মডেল ভেদে স্টিল বা প্লাস্টিক)।
-
ইউজার ম্যানুয়াল।
টিপস: মিষ্টি দই বানাতে চাইলে দুধের সাথে পরিমাণমতো চিনি বা গুড় মিশিয়ে নিতে পারেন। আর টক দইয়ের জন্য শুধু দুধ ও বীজ ব্যবহার করলেই চলবে।






















Reviews
There are no reviews yet.